নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁকে নিয়ে যখন কটূক্তি করা হয় তখন এদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে আঘাত লাগে। তবুও একটি চক্রের ফাঁদে পা না দিয়ে বিএনপি কিন্ত ধৈর্য্যর পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছে- বিএনপি চাইলেই প্রতিক্রিয়ার ধরন পরিবর্তন করতে পারতো। কিন্তু সেটা করতে দলের নেতৃত্ব চাননি একথাগুলো বলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন।
শনিবার(১৯ জুলাই) দুপুরে কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন,‘লন্ডন বৈঠকের পরে দেশ নির্বাচন মূখি হয়েছে। কিন্তু আমরা কি দেখতে পাচ্ছি,একটি চক্র একটি পক্ষ যারা নির্বাচন হলে এদেশের জনগণ তাদের ওপর আস্থা রাখবে না। এ দলগুলো বিভিন্ন কৌশল করে নির্বাচন পেছাতে চাচ্ছে। অথচ এই দলটি বাংলাদেশের প্রতিটি আসনে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এই যে দ্বি-চারিতা,দ্বিমূখি আচরণ যে দলকে বাংলাদেশের জনগন চেনে। ইসলামের লেবাস লাগিয়ে এদেশের জনগণকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না। জনগণ প্রস্তুত রয়েছে আগামী নির্বাচনের মাধ্যেমে তাদের পছন্দের সরকার গঠন করতে’।
তিনি আরও বলেন-‘এ দলটি নতুন করে তালবাহানা শুরু করেছে পি আর সিস্টেম। অথচ এদেশের মানুষ পি আর সিস্টেম কি সেটা বুঝে না। এই পি আর সিস্টেমের মূলা ঝুলিয়ে নির্বাচনকে ঠেকাতে চাচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে এখনো গনতন্ত্রের মূল কাঠামোই শক্তিশালী করতে পারিনি। সেখানে নতুন করে পির আর সিস্টেম দেশেকে নতুন করে সংকটেরদিকে ধাবিত করার চেষ্ঠা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন-‘যারা জাতীয় নির্বাচনকে প্রলম্বিত করতে চায় তাদের উদ্দেশ্য আর মতলব আমরা বুঝি। সেই পরাজিত শক্তি ৭১ এ যারা পরাজিত হয়েছিল সেই শক্তি বাংলাদেশকে এখন ২৪ নিয়ে বলে ২৪ নাকি গণঅভ্যুত্থান। সেটাই না কি বাংলাশের স্বাধীনতা দিবস।
রিপন বলেন-এদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। ১৪ তে,১৮ তে,২৪ এ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। গত ১৬ সতের বছর মানুষ তার পছন্দের সরকার গঠন করতে পারেনি।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এডভোকেট আবেদ রাজা,মুজিবুর রহমান মজনু,জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শওকতুল ইসলাম শকু। উদ্বোধক ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক রেদোয়ান খান। এছাড়াও সম্মেলনে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।


