নিজস্ব প্রতিবেদক: নামে এ গ্রেড পৌরসভা হয়েছে কুলাউড়া। রেলওয়ে ষ্টেশনে নেমে কুলাউড়া, বড়লেখা,জুড়ি এমন কি রাজনগরের হাজার হাজার যাত্রী এ পথ দিয়ে গন্তব্যে যান। কিন্তু ষ্টেশন থেকে চৌমুহনী আসতেই কুমড়ের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আর অসুস্থ ও বয়স্কদের অবস্থা আরও কাহিল হয়ে যায়।
শনিবার রাতে ঢাকা থেকে আসা যাত্রী ফয়ছল আহমেদ বলেন, ট্রেন থেকে নেমে রাস্তার খারাপ অবস্থা দেখে ভুক্তভোগীরা পৌরসভা নিয়ে খারাপ মন্তব্য করেন। অথচ এই কয়েক শত মিটার রাস্তার বড় গর্তগুলো সামান্য পাথর ও বিটুমিন দিয়ে ভরাট করে দিলে এ সমস্যা থাকত না। কুলাউড়া পৌরসভার প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সেই মেয়র ইউনূসের আমল থেকে গর্তের মধ্যে ইট ফেলে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দুই তিন দিনের মধ্যে সেই ইটগুলো গুড়া হয়ে বাতাসে শে যায় অথবা বৃষ্টিতে ধুয়ে গাড়ির চাকায় লেগে চলে যায়। রাস্তার যে বেহাল অবস্থা তেমনি থেকে যায়।
একই অবস্থা দক্ষিণ বাজার মোড় থেকে পৌরসভার সাইনবোর্ড পর্যন্ত। বি,এইচ প্রা: স্কুলের সামনে রাস্তার দুই পাশের রাস্তা ভেঙে তীব্র সমস্যা ও স্থায়ী যানজট সৃষ্টি করছে। স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থী, বাজার করতে আসা হাজারো মানুষ নিত্যদিন এখানে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পৌরসভার মেয়রের রুটিন দায়িত্বে থাকা ইউএনও সাহেব হয়তো সব দিকে সময় দিতে পারেন না। কিন্তু পৌরসভার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মচারী ও কর্মকর্তারা একটু চোখ কান খোলা রাখলে রাস্তা ও ময়লা নিয়ে পৌরবাসীকে প্রতিদিন এত সমস্যায় পড়তে হতো না।
এছাড়া যেখানে বড় বড় ইমারত তৈরি হচ্ছে তার সামনের রাস্তা ভেঙে বিশাল বিশাল গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে। এর দায় কি ইমারত তৈরিকারী মালিকে নিতে বাধ্য করা যায়না? নাগরিক হিসেবে আমরা নিয়মিত পৌর কর দিয়ে আসছি তবে পৌরসভা কেন তাদের দায়িত্ব পালন করে স্বস্তি দিবেন না? আশাকরি পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন এবং দ্রুত সমাধান করবেন।


