নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌলভীবাজার শহরের ব্যবসায়ী শাহ ফয়জুর রহমান রুবেল হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও একজন ইয়াং এডভোকেটকে মারা হলো পৌরসভার সামনে। কারও সঙ্গে কারও ডিসপোর্ট থাকতেই পারে। কিন্তু গিয়ে কাউকে নৃশংসভাবে মারা ফেলা, এটাতো কারও কাম্য নয়। এসব তো আমাদের মৌলভীবাজারে আগে কখনো দেখিনি। এখন জানিনা কেন এগুলি হচ্ছে। এটা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। যারা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে,আমার তো মনে হয়না এরা মৌলভীবাজারের মানুষ। বাইরের হতে পারে। কয়েকমাস আগে এক এডভোকেটকে মেরেছিল এরা টোকাই বাচ্চারা ছিল।
এম নাসের রহমান বলেন, এগুলোর ব্যাপারে সকলে সচেতন হওয়া দরকার। যারা পৌরসভার বান্দিারা আছেন, গুন্ডা ছেলে-ফেলেদের ধরিয়ে দেওয়া নৈতিক দায়িত্ব, সামাজিক দায়িত্ব। আপনার সামনে যদি এখন কাউকে পিটিয়ে মারে আর আপনি বসে বসে ভিডিও করেন তাহলে আপনিও তো মানুষ না। আর যদি নির্লিপ্ত থাকি তাহলে এধরণের ঘটনা আরও ঘটবে। এবং নির্লিপ্ততা অত্যন্ত ডেঞ্জারেস জিনিস। অপকর্ম যারা করে তাদের সহায়তা করার মতো। ব্যবসায়ি এ ভদ্রলোক নিশ্চই ভাল মানুষ ছিলেন। আমি আশা করবো,পুলিশ খুব শিগগিরই হত্যাকারীদের ধরতে সম্ভব হবে। এধরনের হত্যাকারিদের খুব শিগগিরই ধরা দরকার এবং এই ব্যাপারে আমি পুলিশ প্রশাসনের সাথে কথা বলবো।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের কঠোর শাস্তি না দেয়া হয়, তাহলে মৌলভীবাজারের শান্তিপ্রিয় পরিবেশের মর্যাদা নষ্ট হবে। এজন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান ব্যবসায়ী রুবেলকে তার সহপাঠী বলে উল্লেখ করে বলেন, আপনারা সকলে সচেতন থাকুন, ইতিমধ্যে মৌলভীবাজারে দুইজন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
নিহতের ছেলে সোহান বলেন,এ রাস্ট্রের কাছে আমাদের আস্থা আছে। আশা করি আমরা ন্যায় বিচার পাবো।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। হত্যাকারীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের জন্য আমরা তৎপর রয়েছি। দ্রুতই এই হত্যাকাণ্ড উদঘাটন করতে সক্ষম হবো।


