কুলাউড়া প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের আঙ্গ গাঙ্গ কাদিপুরের মৎসজীবিদের কাছে একটা সম্পদ। এই গাঙ্গ নিয়ে অতীতে প্রভাবশালীমহল লাখ লাখ টাকার অবৈধ বানিজ্য করেছে। আর নিজেদের লোকদিয়ে মিঠাপানির সুস্বাদু মাছ লুটেপুটে ভোগ করেছেন। এ নিয়ে স্থানীয় মৎসজীবি ও সচেতনমহলে প্রচুর ক্ষোভ রয়েছে।
স্থানীয়দের কাছে পরিচিত আং গাং রক্ষা করতে গত ১৩ অক্টোবর রাতে পার্শ্ববর্তী বরমচাল ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ও বিলের চকের কিছু মানুষ জোর পূর্বক গাঙ্গটি দখলে নিয়ে জোড়পূর্বক মাছ মারতে চেয়েছিল। ওই রাতের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে চেষ্ঠা চালান কুলাউড়া উপজেলা জিসাসের আহবায়ক- আলী আহসান সোহেল, কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক-মোঃ শফিকুর রহমান, কাদিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ সুলেমান প্রমুখ। পরদিন মাছ ধরা নিয়ে কাদিপুরের মানুষ ও বরমচালের ২টি পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
পরের দিন কাদিপুরের ছকাপন ও অন্যান্য গ্রামের লোকজন কুলাউড়া উপজেলার ইউএনও মো. মহিউদ্দিন ও কুলাউড়া থানার ওসি ওমর ফারুককে বিষয়টি জানান। উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে যান।
তখন এই পরিস্থিতিকে শান্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে সহায়তা করেন কাদিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সালাম, কুলাউড়া উপজেলা জিসাসের আহবায়ক, আলী আহসান সোহেল, কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক মোঃ শফিকুর রহমান, কাদিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ সুলেমান প্রমুখ।
কুলাউড়া উপজেলার ইউএনও মো. মহিউদ্দিন বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে আলোকিত বাংলাকে জানান, এই গাঙ্গটি সরকারি সম্পদ। এখানে কেহ বেআইনিভাবে মাছ শিকার করতে পারেনা। আমরা সেই এলাকাটি দখলমুক্ত করেছি। পরে আঙ্গ গাঙ্গটি সরকারিভাবে ইজারা প্রদান করবো। বৈধভাবে যারা ইজারা নিবেন তারাই সেখানে মাছ ধরতে পারবেন। কাউকে বেআইনিভাবে মাছ ধরতে দেয়া হবেনা। দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেয়ায় এলাকাবাসী ইউএনও এবং ওসি’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


