ডেক্স রিপোর্ট : রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শনিবার প্রধানমন্ত্রী এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন।
এ বছর গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচন এবং কৃচ্ছতা সাধনে প্রধানমন্ত্রী শুধু কূটনীতিক এবং এতিম, আলেম-ওলামাদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করছেন। আগের দিন শুক্রবার কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতার করেন তিনি।
শনিবার ইফতার শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত এতিম এবং আলেম ও ওলামাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি শিশু এতিম শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘এতিমদের ব্যাপারে রাষ্ট্র এবং সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ ইফতার মাহফিল একটি প্রতীকী তাৎপর্য বহন করে। এ মাহফিল এতিমদের প্রতি বিত্তবানদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দায় দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।
প্রতিজন বিত্তবান যদি অসহায় এতিমদের প্রতি পবিত্র কোরআন হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট থাকেন আমি বিশ্বাস করি তাহলে পিতৃহারা এতিম সন্তানেরা এক বুক বেদনা বুকে নিয়েও রাষ্ট্র এবং সমাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা খুঁজে পায়।”
তিনি বলেন, ‘‘পবিত্র রামাদান ত্যাগ এবং সংযমের মাস, রহমত-বরকত সংযমের মাস। অথচ অপ্রিয় হলেও সত্য রামাদান মাসকে আমাদের ভেতরে কেউ কেউ লাভ-লোভের মাস হিসেবে বানিয়ে ফেলে।
পবিত্র রামাদান মাসেও যারা অশুভ পন্থা অবলম্বন করছে আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান অনুগ্রহ করে আপনারা মানুষকে কষ্ট দেবেন না।”


